QR কোড কীভাবে বানাবেন
- QR-এ কী থাকবে বেছে নিন: লিংক বা লেখা, Wi-Fi নেটওয়ার্ক অথবা WhatsApp চ্যাট।
- তথ্য পূরণ করুন। টাইপ করার সঙ্গে সঙ্গে QR বদলাতে থাকবে।
- চাইলে মাপ, রং ও ত্রুটি সংশোধন বদলান।
- PNG (শেয়ার ও প্রিন্টের জন্য) বা SVG (মান না হারিয়ে ছোট-বড় করার জন্য) হিসেবে ডাউনলোড করুন।
এই টুল কী কাজে লাগে?
QR কোড দিয়ে শুধু ক্যামেরা ধরলেই মানুষ লিংক খুলতে, আপনার Wi-Fi-তে যুক্ত হতে বা WhatsApp-এ বার্তা পাঠাতে পারে। মেনু, ভিজিটিং কার্ড, পোস্টার, পণ্যের লেবেল, বাসা বা দোকানের Wi-Fi এবং অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে এটি কাজে লাগে।
এই QR কোডগুলো স্ট্যাটিক: তথ্য কোডের ভেতরেই লেখা থাকে, তাই এগুলোর মেয়াদ শেষ হয় না এবং কোনো সেবার ওপর নির্ভর করে না। সবকিছু আপনার ডিভাইসে তৈরি হয়, তাই পাসওয়ার্ড ও ব্যক্তিগত লিংক আপলোড হয় না।
যা মাথায় রাখবেন
- লেখা যত বেশি, কোড তত ঘন এবং স্ক্যান করা তত কঠিন; লিংক ছোট রাখুন।
- হালকা পটভূমিতে গাঢ় রং ও জোরালো কনট্রাস্ট রাখুন। উল্টো রঙের কোড অনেক স্ক্যানারে কাজ করে না।
- ত্রুটি সংশোধন বেশি হলে কোড ক্ষতি সইতে পারে বেশি, কিন্তু ঘনও হয়। বেশিরভাগ কাজে “মাঝারি” ঠিক।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
QR কোড কি বিনামূল্যে, আর এর মেয়াদ কি শেষ হয়?
এটি বিনামূল্যে এবং এর মেয়াদ কখনও শেষ হয় না: QR স্ট্যাটিক, তথ্য কোডের ভেতরেই লেখা থাকে। এটি আমাদের সাইটের ওপর নির্ভর করে না।
লিংকের জন্য বিনামূল্যে QR কোড কীভাবে বানাব?
“লেখা বা লিংক” বক্সে লিংক পেস্ট করুন, QR কোড সঙ্গে সঙ্গে দেখা যাবে। স্ক্রিনের জন্য PNG হিসেবে, অথবা যেকোনো মাপে প্রিন্টের জন্য SVG হিসেবে ডাউনলোড করুন।
আমার টাইপ করা কি সার্ভারে যায়?
না। QR আপনার ব্রাউজারে তৈরি হয়। লিংক, পাসওয়ার্ড ও বার্তা আপলোড বা জমা হয় না।
PNG আর SVG-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
PNG একটি ছবি যা সব জায়গায় চলে। SVG ভেক্টর: যেকোনো মাপে ঝাপসা না হয়ে বড়-ছোট হয়, তাই বড় করে প্রিন্টের জন্য আদর্শ।
আমার Wi-Fi-এর জন্য QR কীভাবে বানাব?
Wi-Fi বেছে নিন, নেটওয়ার্কের নাম ও পাসওয়ার্ড দিন এবং নিরাপত্তার ধরন (সাধারণত WPA) বেছে নিন। ফোন স্ক্যান করেই যুক্ত হতে পারবে।
ছোট করে প্রিন্ট করা যায়?
হ্যাঁ, তবে খুব ছোট নয়: ছোট লিংকের জন্য প্রতি দিকে প্রায় 2 সেমি নিরাপদ সর্বনিম্ন। প্রিন্টের আগে সবসময় ফোনে স্ক্যান করে দেখে নিন।